Bangladesh Solar Energy Growth: নতুন বিদ্যুৎ বিপ্লব ও ভবিষ্যৎ

বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুৎ এখন শুধু গ্রামের বিষয় নয়, শহরেও দ্রুত বাড়ছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে নতুন বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুতের বাড়তি দাম আর লোডশেডিং কমাতে মানুষ এখন ছাদেই বসাচ্ছে সোলার প্যানেল।  সহজ কথায়, দেশের বিদ্যুৎ খাতে সৌর শক্তির ব্যবহার বাড়ছে প্রায় ৩০ শতাংশ হারে। খরচ কম হওয়া আর পরিবেশ ভালো রাখার কারণে এটি সবার পছন্দের তালিকায় শীর্ষে চলে এসেছে।  বাংলাদেশে সৌর শক্তির বর্তমান অবস্থা কেমন? দেশের জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে নতুন বিদ্যুৎ। শুধু শহর নয়, গ্রামের হাটবাজারেও এখন সোলার বাতি জ্বলে। সরকারি হিসাবে দেশে নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরির লক্ষ্য অনেকখানি এগিয়েছে।  প্রতিদিন তেলের দাম বাড়ছে। কয়লা বা গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি অনেক ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। তাই সাধারণ মানুষ এবং বড় কারখানাগুলো এখন সূর্যের আলোর ওপর ভরসা করছে। আপনি চাইলে আজকের তাজা বাংলা খবর পড়ে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বুঝে নিতে পারেন।  ঢাকার অনেক পোশাক কারখানার ছাদে এখন বিশাল প্যানেল বসানো। এতে দিনের বেলায় কারখানা চালাতে বাইরের বিদ্যুতের দরকার হয় না বললেই চলে। মাসে তাদের লাখ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বাঁচছে। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশ বাঁচিয়ে ব্যবসা করতে Renewable energy ব্যবহারের বিকল্প নেই।  মানুষ কেন নিজের বাড়িতে সোলার বসাচ্ছে? আগে মানুষ শুধু রাতের আলোর জন্য সোলার নিত। এখন মানুষ এসি আর ফ্রিজ চালানোর জন্য বড় বড় সিস্টেম বসাচ্ছে। প্রযুক্তি আগের চেয়ে অনেক সস্তা হয়েছে। ব্যাটারির মানও বেশ উন্নত হয়েছে।  আগে একটা সাধারণ সিস্টেম বসাতে যে খরচ হতো, এখন তার অর্ধেক খরচে দ্বিগুণ ক্ষমতার প্যানেল পাওয়া যায়। বাজারে এখন আধুনিক ইনভার্টার পাওয়া যায়। এসব ইনভার্টার দিয়ে গ্রিডের বিদ্যুতের সাথে সৌর বিদ্যুতের দারুণ সমন্বয় করা যায়।  মিরপুরের একজন বাড়িওয়ালা কামাল সাহেব গত বছর তার পাঁচতলা বাড়ির ছাদে পাঁচ কিলোওয়াটের একটি সিস্টেম লাগিয়েছেন। তিনি জানালেন, গরমের দিনে তার বিদ্যুৎ বিল আগে আসত প্রায় পনেরো হাজার টাকা। এখন বিল আসে মাত্র চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। দেশের জ্বালানি খাতের এমন বাস্তব চিত্র নিয়ে আরও জানতে চোখ রাখুন সব খবর এক জায়গায় দেখার পাতায়।  সরকারের নেট মিটারিং সুবিধা কী? নেট মিটারিং হলো দারুণ একটি সরকারি নিয়ম। আপনার ছাদে তৈরি হওয়া বিদ্যুৎ যদি আপনার খরচ করার পরও বাড়তি থাকে, তবে তা আপনি জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে দিতে পারবেন। মাসের শেষে সেই বিদ্যুৎ আপনার বিল থেকে বাদ যাবে।  এর ফলে অনেক বাড়ির মালিক বিদ্যুৎ বিল শূন্যে নামিয়ে আনছেন। অনেক সময় উল্টো বিদ্যুৎ অফিস থেকেই তারা ক্রেডিট পাচ্ছেন। এই পদ্ধতির বিস্তারিত নিয়ম জানা যায় Net metering সম্পর্কিত তথ্যে।  বাড়তি বিদ্যুৎ গ্রিডে জমা রাখা যায়। বিদ্যুৎ বিলের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমে। ব্যাটারির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ একদম লাগে না। সিস্টেম অনেক বছর কোনো ঝামেলা ছাড়া চলে। এই সুযোগ নেওয়ার জন্য আপনাকে কেবল স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে একটি সাধারণ আবেদন করতে হবে। তারা এসে মিটার পরীক্ষা করে নতুন মিটার লাগিয়ে দেবে।  সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারে প্রধান সমস্যাগুলো কী? সব ভালো জিনিসের মতো এতেও কিছু ছোট সমস্যা আছে। শুরুতে একটি বড় অংকের টাকা একবারে খরচ করতে হয়। নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য এই টাকা জোগাড় করা একটু কঠিন।  দ্বিতীয় বড় সমস্যা হলো জায়গার অভাব। আমাদের দেশের শহরগুলোতে ছাদ অনেক ছোট হয়। আবার অনেক উঁচু ভবনের ছায়ায় পাশের ছোট বাড়ির ছাদ ঢাকা পড়ে যায়। সূর্যের আলো ঠিকমতো না পেলে প্যানেল কাজ করতে পারে না।  আবহাওয়ার ওপর নির্ভরতাও একটি বিষয়। টানা চার পাঁচ দিন বৃষ্টি থাকলে বিদ্যুতের উৎপাদন কিছুটা কমে যায়। তবে উন্নত ব্যাটারি ব্যবহার করলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। বিশ্বজুড়ে পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে কাজ করে United Nations Climate Change সংস্থা, যারা এই প্রযুক্তিকে আরও সহজ করার পরামর্শ দেয়। প্রযুক্তির নতুন সব পরিবর্তন দেখতে পড়তে পারেন দৈনন্দিন তথ্য ও সংবাদ যা আপনাকে এগিয়ে রাখবে।  ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকট কাটাতে সৌর শক্তি কতটা কাজে দেবে? আমাদের দেশের মাটির নিচের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ ধীরে ধীরে কমে আসছে। বাইরে থেকে তরল গ্যাস আমদানি করতে সরকারের প্রচুর ডলার খরচ হয়। ডলার সংকটের দিনে এই খরচ সামলানো খুব কঠিন।  সূর্যের আলো সম্পূর্ণ নিখরচায় পাওয়া যায়। এটি কখনো শেষ হবে না। আমরা যদি আমাদের পতিত জমি, নদীর চর এবং সরকারি অফিসের ছাদগুলো কাজে লাগাতে পারি, তবে দিনের বেলার বিদ্যুতের কোনো অভাব থাকবে না।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশের মোট বিদ্যুতের অন্তত দশ ভাগ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসা সম্ভব। এর জন্য দরকার সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ আর মানুষের একটু সচেতনতা। আপনি কি আপনার বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর কথা ভাবছেন

বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুৎ এখন শুধু গ্রামের বিষয় নয়, শহরেও দ্রুত বাড়ছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে নতুন বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুতের বাড়তি দাম আর লোডশেডিং কমাতে মানুষ এখন ছাদেই বসাচ্ছে সোলার প্যানেল।

সহজ কথায়, দেশের বিদ্যুৎ খাতে সৌর শক্তির ব্যবহার বাড়ছে প্রায় ৩০ শতাংশ হারে। খরচ কম হওয়া আর পরিবেশ ভালো রাখার কারণে এটি সবার পছন্দের তালিকায় শীর্ষে চলে এসেছে।

বাংলাদেশে সৌর শক্তির বর্তমান অবস্থা কেমন?

দেশের জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে নতুন বিদ্যুৎ। শুধু শহর নয়, গ্রামের হাটবাজারেও এখন সোলার বাতি জ্বলে। সরকারি হিসাবে দেশে নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরির লক্ষ্য অনেকখানি এগিয়েছে।

প্রতিদিন তেলের দাম বাড়ছে। কয়লা বা গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি অনেক ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। তাই সাধারণ মানুষ এবং বড় কারখানাগুলো এখন সূর্যের আলোর ওপর ভরসা করছে। আপনি চাইলে আজকের তাজা বাংলা খবর পড়ে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বুঝে নিতে পারেন।

ঢাকার অনেক পোশাক কারখানার ছাদে এখন বিশাল প্যানেল বসানো। এতে দিনের বেলায় কারখানা চালাতে বাইরের বিদ্যুতের দরকার হয় না বললেই চলে। মাসে তাদের লাখ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বাঁচছে। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশ বাঁচিয়ে ব্যবসা করতে Renewable energy ব্যবহারের বিকল্প নেই।

মানুষ কেন নিজের বাড়িতে সোলার বসাচ্ছে?

আগে মানুষ শুধু রাতের আলোর জন্য সোলার নিত। এখন মানুষ এসি আর ফ্রিজ চালানোর জন্য বড় বড় সিস্টেম বসাচ্ছে। প্রযুক্তি আগের চেয়ে অনেক সস্তা হয়েছে। ব্যাটারির মানও বেশ উন্নত হয়েছে।

আগে একটা সাধারণ সিস্টেম বসাতে যে খরচ হতো, এখন তার অর্ধেক খরচে দ্বিগুণ ক্ষমতার প্যানেল পাওয়া যায়। বাজারে এখন আধুনিক ইনভার্টার পাওয়া যায়। এসব ইনভার্টার দিয়ে গ্রিডের বিদ্যুতের সাথে সৌর বিদ্যুতের দারুণ সমন্বয় করা যায়।

মিরপুরের একজন বাড়িওয়ালা কামাল সাহেব গত বছর তার পাঁচতলা বাড়ির ছাদে পাঁচ কিলোওয়াটের একটি সিস্টেম লাগিয়েছেন। তিনি জানালেন, গরমের দিনে তার বিদ্যুৎ বিল আগে আসত প্রায় পনেরো হাজার টাকা। এখন বিল আসে মাত্র চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। দেশের জ্বালানি খাতের এমন বাস্তব চিত্র নিয়ে আরও জানতে চোখ রাখুন সব খবর এক জায়গায় দেখার পাতায়।

সরকারের নেট মিটারিং সুবিধা কী?

নেট মিটারিং হলো দারুণ একটি সরকারি নিয়ম। আপনার ছাদে তৈরি হওয়া বিদ্যুৎ যদি আপনার খরচ করার পরও বাড়তি থাকে, তবে তা আপনি জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে দিতে পারবেন। মাসের শেষে সেই বিদ্যুৎ আপনার বিল থেকে বাদ যাবে।

এর ফলে অনেক বাড়ির মালিক বিদ্যুৎ বিল শূন্যে নামিয়ে আনছেন। অনেক সময় উল্টো বিদ্যুৎ অফিস থেকেই তারা ক্রেডিট পাচ্ছেন। এই পদ্ধতির বিস্তারিত নিয়ম জানা যায় Net metering সম্পর্কিত তথ্যে।

  • বাড়তি বিদ্যুৎ গ্রিডে জমা রাখা যায়।
  • বিদ্যুৎ বিলের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমে।
  • ব্যাটারির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ একদম লাগে না।
  • সিস্টেম অনেক বছর কোনো ঝামেলা ছাড়া চলে।

এই সুযোগ নেওয়ার জন্য আপনাকে কেবল স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে একটি সাধারণ আবেদন করতে হবে। তারা এসে মিটার পরীক্ষা করে নতুন মিটার লাগিয়ে দেবে।

সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারে প্রধান সমস্যাগুলো কী?

সব ভালো জিনিসের মতো এতেও কিছু ছোট সমস্যা আছে। শুরুতে একটি বড় অংকের টাকা একবারে খরচ করতে হয়। নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য এই টাকা জোগাড় করা একটু কঠিন।

দ্বিতীয় বড় সমস্যা হলো জায়গার অভাব। আমাদের দেশের শহরগুলোতে ছাদ অনেক ছোট হয়। আবার অনেক উঁচু ভবনের ছায়ায় পাশের ছোট বাড়ির ছাদ ঢাকা পড়ে যায়। সূর্যের আলো ঠিকমতো না পেলে প্যানেল কাজ করতে পারে না।

আবহাওয়ার ওপর নির্ভরতাও একটি বিষয়। টানা চার পাঁচ দিন বৃষ্টি থাকলে বিদ্যুতের উৎপাদন কিছুটা কমে যায়। তবে উন্নত ব্যাটারি ব্যবহার করলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। বিশ্বজুড়ে পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে কাজ করে United Nations Climate Change সংস্থা, যারা এই প্রযুক্তিকে আরও সহজ করার পরামর্শ দেয়। প্রযুক্তির নতুন সব পরিবর্তন দেখতে পড়তে পারেন দৈনন্দিন তথ্য ও সংবাদ যা আপনাকে এগিয়ে রাখবে।

ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকট কাটাতে সৌর শক্তি কতটা কাজে দেবে?

আমাদের দেশের মাটির নিচের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ ধীরে ধীরে কমে আসছে। বাইরে থেকে তরল গ্যাস আমদানি করতে সরকারের প্রচুর ডলার খরচ হয়। ডলার সংকটের দিনে এই খরচ সামলানো খুব কঠিন।

সূর্যের আলো সম্পূর্ণ নিখরচায় পাওয়া যায়। এটি কখনো শেষ হবে না। আমরা যদি আমাদের পতিত জমি, নদীর চর এবং সরকারি অফিসের ছাদগুলো কাজে লাগাতে পারি, তবে দিনের বেলার বিদ্যুতের কোনো অভাব থাকবে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশের মোট বিদ্যুতের অন্তত দশ ভাগ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসা সম্ভব। এর জন্য দরকার সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ আর মানুষের একটু সচেতনতা। আপনি কি আপনার বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর কথা ভাবছেন? একটু হিসেব করলেই বুঝবেন, এটি খরচের চেয়ে লাভের পাল্লাই ভারী করে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url