১৯ অক্টোবর ২০২৬: ভাইরাল খবর ইশরাক হোসেন (একসাথে সব সংবাদ)


আজ ১৯ অক্টোবর ২০২৬, বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমসাময়িক ঘটনাবলিতে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। যিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ খবর, সাম্প্রতিক বক্তব্য, বিভিন্ন ঘটনা এবং আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে জনগনের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। 
ভাইরাল ইশরাক হোসেন এর সর্বশেষ খবর

আজকে ইশরাক হোসেনকে ঘিরে আলোচিত সংবাদগুলো একসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিটি খবরের বিস্তারিত, প্রাসঙ্গিক তথ্য ও নির্ভরযোগ্য সূত্রের ভিত্তিতে ঘটনাগুলো জানুন এক জায়গায়।

১. ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ভাইরাল খবর ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ 

ইশরাক হোসেন আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে যান। পরবর্তীতে সেখানকার ভিডিও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া সংবাদ প্রচার করার পর অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানের ভিডিও ভাইরাল হয়। 

রাজনীতিতে ব্যাপক ঝড় তুলে ইশরাক হোসেনের আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানের ভিডিও। 

যার ফলে ইশরাক হোসেন কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেন। 

বিএনপি সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর ইশরাক হোসেনের আজ ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পদত্যাগ করেছেন।‌

ইশরাক হোসেন মূলত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ মেনে এই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।   

২. ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ভাইরাল খবর: ইশরাক হোসেন কে নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ভাইরাল কথা 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (NCP) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ১৯ অক্টোবর সকালে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সামনে সাংবাদিকদের বলেন, ব্যর্থতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, মাঝখান থেকে ফাঁদে পড়েছেন ইশরাক ভাই। 

তিনি দ্বিতীয় বাক্যে বলেন, দোষ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (সালাউদ্দিন আহমেদ) গুলি খেয়েছেন ইশরাক হোসেন।‌

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ। 

৩. প্রেস ব্রিফিংয়ে ইসরাকের হোসেন এর ভাইরাল কথা 

আজ (১৯ অক্টোবর) পদত্যাগ করতে প্রেসক্লাবে দেওয়া বক্তব্যে ইশরাক হোসেন বলেন, চাঁদাবাজি বা জমি দখল করার উদ্দেশ্যে যাই নাই। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেন্ডারিয়ায় গিয়েছি। 

৪. পদত্যাগ করতে প্রেসক্লাবে ইশরাক, ভাইরাল অভিযানে আসলে কী ঘটেছিল জানুন তার মুখ থেকে।

পুরো বক্তব্যটি: গত ১৭ই অক্টোবর, শনিবার, আমার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৬ আসনের অন্তর্গত গেন্ডারিয়া এলাকার রেললাইন-সংলগ্ন অঞ্চল ঘণ্টিঘরে একটি ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার বিষয়ে আপনাদের বলব। তবে তার আগে দুটো মিনিট ধৈর্য ধরে আপনারা একটু প্রেক্ষাপটটা শুনবেন।

আজকে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তার সবচেয়ে মূল কারণ হচ্ছে এই ঘটনাটির প্রেক্ষাপট সম্পর্কে কেউই অবহিত নন।

আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই ঘণ্টিঘর—আপনারা জানেন, সেখানে একটি রেললাইনের প্রকল্প হয়েছে। চীনা কোম্পানি রেললাইন নির্মাণ করে একপাশে বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে আরেক পাশ উন্মুক্ত রেখে চলে গিয়েছে।

২০২৪-এর পরবর্তী গণ-অভ্যুত্থানের পরে সেখানে শুধু মাদকের আখড়া গড়ে ওঠেনি, কালের ক্রমে সেটি একটি ডিস্ট্রিবিউশন হাবে পরিণত হয়েছে। সেখানকার সংলগ্ন কয়েকটি স্থাপনা ও গৃহের মালিকদের অনেক সময় জিম্মি করেও সেই স্থাপনাগুলো ব্যবহার করে একটি বড় ডিস্ট্রিবিউশন হাব তৈরি করা হয়েছে সব ধরনের মাদকের।

আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এলাকাবাসী বারবার আমাদের কাছে এই বিষয়টি উত্থাপন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমি বারবার থানায় কথা বলি এবং প্রতি মাসে আমরা অন্তত একবার হলেও ঢাকা-৬ আসনের আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত একটি বৈঠক করি।

সেখানে ওয়ারী জোনের ডিসি, ডিসি ট্রাফিক, লালবাগ জোনের ডিসি, ডিসি ট্রাফিক, পাঁচটি থানার ওসি এবং পাঁচটি থানার বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকেন।

এরকম একাধিক মিটিং করার পরও যখন আমরা এই ঘণ্টিঘর নিয়ে কোনো সুরাহা করতে পারছিলাম না, তখন থানা থেকে প্রথমেই আমাদের কাছে একটি আবেদন এসেছিল যে ওই জায়গাটিতে যেন একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়। আমি তাৎক্ষণিকভাবে আমার ডিও লেটারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছি।

এমনকি একটি ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য উপযুক্ত স্থাপনাও আমরা নির্ধারণ করে খুঁজে বের করে ডিসি অফিসের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে ফাঁড়িটি স্থাপন করা যায়নি।

এই প্রেক্ষাপটটা একটু জানা দরকার, কারণ তাহলে আপনারা পরবর্তীতে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারবেন।

একটি পর্যায়ে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সর্বশেষ মিটিংটি হয়েছিল সেপ্টেম্বর মাসে। ১৮ সেপ্টেম্বর আমার মন্ত্রণালয়ে আমরা বসি এবং যাঁদের কথা বললাম, তাঁরা সকলেই উপস্থিত ছিলেন। সেখানে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়।

আপনারা সকলেই জানেন, পুলিশের বর্তমান সক্ষমতা কী। ২০২৪ সালের পর কী কী হয়েছে, সেটা নিয়ে আমি আর বিস্তারিত গেলাম না।

সেখানে একটি পর্যায়ে আমাদের মধ্যে সিদ্ধান্ত হয়, যেহেতু পুলিশ বাহিনী যথেষ্ট ইকুইপড নয়, তাদের অনেক গাড়ি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল এবং তাদের যথেষ্ট লোকবল নেই, তাই আমরা একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলব।

এর মাধ্যমে এই ঘণ্টিঘর নামক এলাকার সমস্যাটি—এটি একটি, দুটি, পাঁচটি বা দশটি বাড়ির সমস্যা নয়; এটি একটি বিস্তৃত এলাকা, পুরো রেললাইনজুড়ে ঘণ্টিঘরের সমস্যা—আমরা নিজেরাই এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে, পুলিশ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে পর্যায়ক্রমে সমাধান করব। এটাই ছিল আমাদের সিদ্ধান্ত।

সর্বশেষ মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

এখন আমরা যেদিন সেখানে গিয়েছি, সেটি আমাদের পূর্বনির্ধারিতই ছিল। তবে যেহেতু এখানে আমি কথাটি এভাবে বলতে পারব না, তারপরও গোপনীয়তা রক্ষার কারণে এ ধরনের ঘটনা বা অভিযান চালানোর সম্পূর্ণ তথ্য কেবলমাত্র আমার কাছেই সীমিত রাখতাম। প্রয়োজনীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় ওসি ও পুলিশের সদস্যদের শেষ মুহূর্তে জানাতাম যে আপনারা অমুক জায়গায় আসেন।

কারণ আমরা জেনেছি, যেকোনো ধরনের তথ্য দিলে সেটা তাৎক্ষণিকভাবে ফাঁস হয়ে যায়, তারা পালিয়ে যায়।

আরেকটি বিষয় উল্লেখ করি, আগস্ট মাসের ১২ তারিখে সেখানে দুটি গ্রুপের মধ্যে একটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়, যেখানে তিনজন বেসামরিক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। এই মাদকের নিয়ন্ত্রণ নিয়েই সংঘর্ষটি হয়েছিল।

তো যাই হোক, আমরা যেদিন যাই, সেদিন থানাকে জানিয়েছিলাম যে আমরা যাব এবং কখন তারা আসবেন, সেটিও তাদের জানিয়ে দেব। এ রকম একটি পরিকল্পনা করে আমি যাই এবং আমাদের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আমরা সেখানে প্রবেশ করার পর, আপনারা জানেন কি না জানি না, মাটিতে মাচার মতো করে প্লাস্টিক দিয়ে বড় ঘেরাওয়ের মতো স্থাপনা নির্মাণ করা হয়ে থাকে। সেখানে ২০, ২৫, ৩০, ৪০ জন পর্যন্ত মাদকাসক্ত ও মাদক বিক্রেতা অবস্থান করে এবং সেখানেই তারা থাকে।

আমরা গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই—ইতিপূর্বে তাদের কাছ থেকে দেশীয় পাইপগান অস্ত্রসহ নানা কিছু উদ্ধার করা হয়েছে—আমরা দেখলাম, একদল প্রায় ২৫-৩০ জন লোক সেখান থেকে বের হয়ে আসে। তারা দিকবিদিক ছোটাছুটি করে এবং একদল লোক আমাদের গাড়ির দিকে আসতে থাকে।

তো স্বাভাবিকভাবেই, আমার, ইশরাক হোসেনের, নিজস্ব ব্যক্তিগত একটি লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে, শুধুমাত্র আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য, যেটি আমার সঙ্গে সবসময় থাকে। আমার সঙ্গে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা নিরাপত্তাকর্মীও ছিলেন।

এমন অবস্থায় আমরা গাড়ি থেকে নামি। আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে আমার বৈধ লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি হাতে ধারণ করি, যাতে কোনো ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে আমি নিজেকে রক্ষা করতে পারি।

কারণ তারা বিভিন্নভাবে পাইপগান লুকিয়ে রেখে গুলি করে।

আরেকটি মজার বিষয় হলো, পুলিশ বাহিনী বহুবার তাদের বলার পরও তারা সেখানে যেতে চায় না। কারণ ছাদ থেকে গুলি করা হয় এবং তাদের একাধিক সদস্য ইতিপূর্বে আহতও হয়েছেন। যার কারণে তারা সাহস পান না।

এই সব কথা মাথায় রেখে আমরা আমাদের ন্যূনতম নিরাপত্তা নিয়ে সেখানে যাই।

গাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আপনারা যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে, মূলত যে ভিডিওটির কারণে আজকে এই অবস্থা, সেই ভিডিওতে আমি কেবলমাত্র এতটুকুই নিশ্চিত করেছি যে তাদের হাতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র আছে কি না। তারা নিয়ন্ত্রণে আসার পরে আমি আমার ব্যক্তিগত অস্ত্রটি পকেটে ঢুকিয়ে রাখি।

এরপর কিন্তু প্রায় ৪৫ মিনিট আমরা সেখান থেকে সামনের দিকে অগ্রসর হই, পায়ে হেঁটে। গেন্ডারিয়া থানাকেও জানিয়ে দেওয়া হয়। তারাও গাড়ি নিয়ে চলে আসে।

আমরা অনেকগুলো ছোট ছোট স্পট পাই, যেখানে মাদক বিক্রেতারা মাদক বিক্রি করছে এবং মাদক সেবন করছে।

এখন একটা বিষয় হলো, মাদক সেবন করা এক বিষয়। কিন্তু সেখানে যখন একটি ডিস্ট্রিবিউশন হাব তৈরি করে ফেলে, তখন সেটি আরও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

ফজলুল হক মহিলা কলেজ, গেন্ডারিয়া কলেজ, তারপরে আরেকটি মহিলা কলেজ—মনিজা রহমান কলেজসহ বিভিন্ন কলেজ ও স্কুলে এই মাদকগুলো প্রবেশ করানো হচ্ছিল। বিগত দুই-তিন মাস ধরে আমার স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভোটাররা বারবার আমার কাছে এই অভিযোগ করে আসছিলেন।

আমি তাঁদের কী সমাধান দেব, সেটা খুঁজে পাচ্ছিলাম না।

তো সবকিছু মিলিয়ে আমাদের মনে হয়েছে, সেই ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক বন্ধ করাটাই প্রথম কাজ হওয়া উচিত।

তারপর আমরা কয়েকটি ভবনে প্রবেশ করি। প্রবেশ করে সেই কক্ষগুলোর ভেতর থেকে ছিনতাই হওয়া মোবাইলের ব্যাগ, অর্থাৎ স্কুলব্যাগ ভর্তি ছিনতাই হওয়া মোবাইল, প্রায় ৩০০ গ্রামের মতো হেরোইনের পোটলা, কয়েক বোতল মদ, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, চাপাতি, অনেক মোবাইল ফোন এবং নানা ধরনের জিনিসপত্র পুলিশের উপস্থিতিতে উদ্ধার করা হয়।

যাঁরা সেখানে ছিলেন, তাঁরা মাদকাসক্ত ছিলেন। তাঁরা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি যে বাড়ির মালিকের কাছে এগুলো কোথা থেকে এল।

শুরু থেকেই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল একটাই—আমরা তাঁদের আইনের হাতে তুলে দেব, পুলিশের হাতে সোপর্দ করব। আদালতের মাধ্যমে তাঁদের বিচার হবে এবং তাঁরা শাস্তির মুখোমুখি হবেন।

এখন এই অবস্থায় আমি এখানে যারা ওই জায়গার স্থানীয় বাসিন্দা, তাঁদের কথাও বলতে চাই। তাঁরাও ভয়ে মুখ খোলেন না। বহু বছর ধরে যাঁরা সেখানে বসবাস করেন, তাঁরাও ভয়ে থাকেন। কারণ এদের কাছে অস্ত্র রয়েছে, অর্থ রয়েছে এবং তারা যেকোনো কিছু করতে পারে।

যার কারণে সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দারাও মুখ খোলেন না। আমি তাঁদের ডেকে নিয়ে আসি এবং তাঁদের কিছুটা হলেও অভয় দেওয়ার চেষ্টা করি।

এই কার্যক্রম করতে করতে প্রায় ৪৫ মিনিট পার হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমি আবার প্রস্থানের জন্য যখন অগ্রসর হই, তখন সেখানে যে অস্থায়ী স্থাপনাগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল, যেখান থেকে মাদক ডিস্ট্রিবিউশন করা হতো, সেগুলো আমাদের স্বেচ্ছাসেবকেরা ধ্বংস করে ফেলেন।

আমরা সবাইকে সতর্ক করে আসি যে আমরা আবারও আসব, আবারও আসব, আবারও আসব। কিন্তু এখানে কোনো ধরনের মাদকের আখড়া আর চলতে দেওয়া হবে না।

বাংলাদেশের একটি কুখ্যাত মাদকের আখড়া হিসেবে ঘণ্টিঘর-মুন্সিকটেক অঞ্চলটি পরিচিত হয়ে উঠেছে। আমার পাশের তানভীর আহমেদ রবিন সাহেবও আপনাদের বলতে পারবেন। তিনিও এই রেললাইনের পাশের এলাকার ভুক্তভোগী।

পরবর্তীতে সেখান থেকে পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। সমস্ত আলামত তাদের হাতে থাকে। সেই আলামতসহ তাঁদের আমরা থানায় পাঠিয়ে দিই, আইনের প্রক্রিয়া অনুযায়ী।

তারপর সেখান থেকে আমরা চলে আসি। সেদিন আমার ওয়ারী থানায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের কার্যক্রম ছিল। সেই কার্যক্রম পরিদর্শন করার জন্য আমি চলে যাই।

পরবর্তীতে রাতে আমি জানতে পারি, এরকম একটি ভিডিও ব্যাপক আকারে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভিন্নভাবে দেখানো হয়েছে, বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন ধরনের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে।

যেটি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, আমার দলকে বিব্রত করেছে এবং আমাদের মূল উদ্দেশ্য, মাদক নির্মূল করা, সেখান থেকে পুরো দৃষ্টিটাই ভিন্ন খাতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url