জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান অলি আহমদের, সরকারকে দিলেন সতর্কবার্তা

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান অলি আহমদের, সরকারকে দিলেন সতর্কবার্তা

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন অলি আহমদ। কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা ও প্রবাসীদের সমস্যা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।

অনুষ্ঠান: জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা।
স্থান: জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন, ঢাকা।
তারিখ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬।
আয়োজক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বক্তা: ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় অলি আহমেদ এর বক্তব্য 

অলি আহমদের সম্পূর্ণ বক্তব্য 

জুলাই সনদের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনেক আলোচনা আপনারা শুনেছেন। আমি সেদিকে না গিয়ে অন্য কথাগুলো বলব। এই সনদ বাস্তবায়ন করা কেন জরুরি?

আপনারা যদি লক্ষ্য করেন, এই সরকার আসার পর দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রায় বন্ধের পথে। অনেক ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। অনেক ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গেছে। এ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল, এক কোটি লোককে চাকরি দেবে, বা এক লাখ লোককে চাকরি দেবে। এখন কিন্তু উল্টো হচ্ছে। প্রায় ৮০০টি চাকরি যুক্ত হয়েছে। তাহলে নিয়োগ নেই, বিদেশি বিনিয়োগও নেই, দেশি বিনিয়োগও নেই। মানুষের চাকরির কোনো ব্যবস্থা নেই। পুরোনো লোকেরা, যারা চাকরিতে আছেন, তাঁদের ছাঁটাই করা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলার অবস্থা খুবই খারাপ। কেউ রাতে নিরাপদে ঘুমাতে পারে না। রাস্তায় চলাফেরা করতে পারে না। আইনশৃঙ্খলা নেই বললেই চলে।

এখানে ব্যারিস্টার সাহেব বসে আছেন, শরীয়াল কবি সাহেব। আমার ছেলের একটি পুনর্গণনার জন্য মামলা দেওয়া হয়েছে। কী কারণে এক বছর যাচ্ছে? এটা এক সপ্তাহের মধ্যে পুনর্গণনা করা দরকার। এখানে কোনো শুনানির তো কোনো প্রয়োজন নেই। আপনি বিচারক হিসেবে দেখবেন যে যুক্তি দিয়েছেন, সেটা সঠিক কি না। এটা যদি সঠিক হয়, আপনি পুনর্গণনার নির্দেশ দেবেন। আমি এটা একটা উদাহরণ দিচ্ছি। মানুষ বিচার পাচ্ছে না। সরকারে যারা আছে, তারাই বিচার পাচ্ছে। সরকারের বাইরে যারা আছে, তারা বিচার পাচ্ছে না।

অনেকগুলো ব্যাংক প্রায় বন্ধের পথে। কেন বন্ধ হবে? যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাংক বন্ধ করে দেন। বাদ দেন। যারা দেশে আছেন, যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, কিন্তু তাঁরা ব্যাংকের মালিক, তাঁদের ব্যাংকগুলো ফেরত দেন, চালু করার ব্যবস্থা নেন। তাহলে মানুষের কর্মসংস্থান হবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল হবে।

বিদেশে যারা আছেন, তাঁদের আপনারা অবহেলা করছেন, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন। আমার কাছে অনেকে টেলিফোন করেছেন এবং তাঁদের দুঃখের কথাটা আজ বলার জন্য আমাকে বলেছেন। অনেকে আছেন, যাঁরা দুই-তিন বছরের ভিসা নিয়ে গেছেন। তাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ। আইন অনুযায়ী তাঁরা নতুন ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করেছেন। আর এসব আবেদনের জন্য প্রায় দুই-তিন লাখ টাকা বা এক লাখ টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু তাঁরা সেই অনুমতিটা পাচ্ছেন না। বিশেষ করে ইউএইতে ঘটনাগুলো ঘটছে।

তাহলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজটা কী? প্রধানমন্ত্রীর উচিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়া যে, তোমার কর্মকর্তারা প্রত্যেকটা জায়গায় গিয়ে মানুষের সমস্যার কথা শুনবে এবং সেগুলোর সমাধান করবে। ওখানে বসে বসে বেতন নেবে আর পার্টি খাবে—এটাই কি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব?

রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব হলো, আমাদের যে নাগরিকেরা আছেন, তাঁদের যে সমস্যাগুলো আছে, সেগুলোর সমাধান বের করা এবং ওই দেশের সরকারের সঙ্গে কথা বলা। একই সঙ্গে এখানে যারা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁদের দায়িত্ব হলো ওই দেশের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে বলা, আমাদের দেশের এই সমস্যাগুলো সমাধান করো।

আজ যদি আমাদের এই কর্মীগুলো মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরে আসেন, তাহলে দেশে আরও সমস্যার সৃষ্টি হবে।

আমি আশা করব, প্রধানমন্ত্রী বিদেশে ছিলেন ১৫ বছর। ঠিক আছে। কিন্তু আপনার সাথের লোকেরা অনেকে তো দেশে ছিলেন। সালাহউদ্দিন না হলে ১৫ বছর ছিলেন। বাকিরা তো দেশে ছিলেন। আপনারা যদি জেনেশুনে মানুষের দুঃখের কথা না বোঝেন, সমস্যার সমাধান না করেন, তাহলে কীভাবে দেশ চলবে?

প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনুরূপভাবে মানুষের আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে না। তাহলে ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতি সচল নয়, কারণ যেসব কর্মকাণ্ড হওয়ার কথা, সেগুলো হচ্ছে না।

এর মূল কারণ হলো, আপনাদের কিছু অশিক্ষিত এমপি এলাকায় যান, তাঁদের সঙ্গে ইউএনওকে থাকতে হবে, তাঁদের সঙ্গে ওসিকে থাকতে হবে। কী কারণে থাকতে হবে? ওসি কি বিএনপির লোক? ইউএনও কি বিএনপির লোক? তাঁদের কাজ হলো অফিসে কাজ করা। এমপির পেছনে পেছনে ঘুরে তেলমর্দন করা তাঁদের কাজ নয়। প্রশাসনিক বিভাগ আর রাজনীতি—দুটো আলাদা বিষয়।

সুতরাং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এগুলো বোঝার চেষ্টা করেন।

\[বিজ্ঞাপনের অংশ\]

শিয়া বাটার ও আমন্ড অয়েলসমৃদ্ধ লিলি বডি লোশন ত্বক করে তারুণ্যদীপ্ত ও উজ্জ্বল।

\[বক্তব্য পুনরায় শুরু\]

দেরি হয়ে যাচ্ছে। বিপদে পড়বেন।

আমার এখনো স্মরণ আছে, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে মিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য রাস্তায় কর্মসূচি পালন করছিল। আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বিএনপির পক্ষ থেকে। এখনো ড. মোশাররফ সাহেব জীবিত আছেন। আমি আশা করব, তিনি সত্য কথাটা বলবেন।

আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ওয়ান টু ওয়ান শেখ হাসিনার সঙ্গে বসে একটা ফর্মুলা তৈরি করার। আমি শেখ হাসিনার সঙ্গে বসে একটা ফর্মুলা করলাম যে আন্দোলন করার দরকার নেই। কীভাবে হলে সমস্যার সমাধান হবে, বলেন।

তখন একটা প্রস্তাব দেওয়া হলো যে, ৪০ দিন আগে আপনারা ক্ষমতা ছেড়ে দেন। উভয় পক্ষ বসে মন্ত্রিসভা কী হবে বা উপদেষ্টা পরিষদ কী হবে, এটা ঠিক করেন। সুন্দর প্রস্তাব ছিল।

আমি বিএনপিতে এই প্রস্তাব নিয়ে এলাম। বিএনপির সবাই এ প্রস্তাব গ্রহণ করল। মাঝখানে বেগম জিয়ার প্রাইভেট সেক্রেটারি মেজর কামরুল—এখনো বেঁচে আছেন—জিয়াউদ্দিন মশিউর মারা গেছেন, সঙ্গে মোসাদ্দেক হোসেন ফালু। চারজন ঢুকলেন। ঢুকে বললেন, ‘ম্যাডাম, আমরা এখান থেকে মাথা উঁচু করে যাব, নতজানু হয়ে যাব না। আমাদের কথা শুনতে হবে।’

তখন আমি এতে আপত্তি দিলাম যে, ‘ম্যাডাম, আপনি যদি কথা শুনতে চান, আপনি আপনার অফিসে যান। কারণ, আপনার প্রাইভেট সেক্রেটারি মন্ত্রিসভাকে জ্ঞান দান করবেন, এটা কিন্তু নিয়মবহির্ভূত। আপনাকে পরামর্শ দেবেন, কিন্তু মন্ত্রিসভাকে নয়।’

আমার কথা সেদিন কেউ শোনেনি। আজ আমি আশা করব, মোশাররফ সাহেব, আপনি মৃত্যুর আগে মিথ্যা কথা বলবেন না।

সেদিন যদি কথাটা শুনত, তাহলে বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় আসত। কারণ, সেটআপটা তো বিএনপিরই ছিল। সবাই রাজি হলো, কিন্তু সঙ্গে একটা শর্ত জুড়ে দিল—বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বিরোধী দল হরতাল করতে পারবে না।

আমি তখন বললাম, ‘হরতালের প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে? আমরা তো অবিলম্বে নির্বাচনের জন্য যাচ্ছি। এখানে হরতালের প্রশ্ন আসে কীভাবে?’

তারা বলল, ‘না, এটা লিপিবদ্ধ করতে হবে।’

আমি এই প্রস্তাব নিয়ে শেখ হাসিনার কাছে যাব না। কথা ছিল, শেখ হাসিনা বায়তুল মোকাররমে মিটিং করবেন এবং এই ফর্মুলাটা দেবেন। বেগম জিয়া টেলিভিশনে ফর্মুলাটা দেবেন। কিন্তু বেগম জিয়া চলে গেলেন গাজীপুরে একটা স্কুলের প্রোগ্রামে। এই ফর্মুলায় তিনি ছিলেন না।

পরে যা হোক, আমাকে সংক্ষিপ্ত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। সংসদ ভবনে মিটিংয়ের পরে শেখ হাসিনা এবং বিরোধী দলের সবাই অপেক্ষা করছিলেন। তখন বিরোধী দলে মওদুদ সাহেব ছিলেন, মিজানুর রহমান সাহেব ছিলেন। তাঁদের নাম উল্লেখযোগ্য।

আমাকে বলা হলো, ‘আপনি যান।’

আমি বললাম, ‘আমি একা যাব না। কারণ, হরতালের বিষয়টা অবান্তর এবং গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের বোকামিপূর্ণ প্রস্তাব আমি দিতে পারব না।’

আমি বলছি, আমার সামনে যেটা হবে, বন্ধুরা চৌধুরীকে এবং সালাম তালুকদারকে—কী কারণে জানি না—সালাম তালুকদার সাহেব সেদিন নীরব ছিলেন।

আমরা সংসদ ভবনে গেলাম। প্রথমে দুদশা—\[এই অংশটি মূল অডিওর সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন\]—বললাম, ‘আপনি এ প্রস্তাব পড়েন।’

তিনি বললেন, ‘না, আপনি যেহেতু এটা আলোচনা করেছেন, দর-কষাকষি করেছেন, আপনাকেই পড়তে হবে।’

আমি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে যুক্তি দিলেন মিজানুর রহমান সাহেব। তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি বললেন, ‘দাসত্ব দিয়ে রাজনীতি করব না।’

তারপর উঠলেন মওদুদ সাহেব। তিনি বললেন, ‘দাসত্ব দিয়ে রাজনীতি করব না।’ অর্থাৎ হরতালের জন্য দাসত্ব স্বীকার করব না।

তাহলে আলোচনা আর থাকল না। শেষ পর্যন্ত কী হলো? রাস্তায় আন্দোলন গতি সঞ্চার করল। বিএনপি রাতে আর ঘুমাতে পারল না। আমরা কেউ ঘুমাইনি। সারা রাত জেগে ছিলাম। স্পিকার ছিলেন জমিরউদ্দিন সরকার। তিনি মাঝে মাঝে টেবিলের ওপর মাথা নুইয়ে পড়ছিলেন। এই অবস্থায় সারা রাত জেগে থেকে আমাদের আইনটা পাস করতে হয়েছিল।

তো তারেক রহমান সাহেব, আপনি কী অবস্থায় যেতে চান? আমি আশা করি, অতীত থেকে আপনি সবকিছু নেবেন। কিন্তু আপনার সঙ্গে যারা আছেন, তাঁদের তো পরামর্শ দেওয়ার অভিজ্ঞতাও নেই, শিক্ষাগত যোগ্যতাও নেই। শুধু গালাগালি করার ক্ষমতা রাখেন।

আর কী ক্ষমতা তাঁদের কাছে? তাঁদের মস্তিষ্কে কিছুই নেই। শুধু দুটি জিনিস—আমাদের গালাগালি করবেন এবং দেশের ক্ষতি করার জন্য যা যা করা দরকার, সেটাই করবেন।

আপনার শত্রু আমরা নই। আপনার শত্রু আপনার চারপাশে যারা আছেন, তাঁরাই আপনার শত্রু।

ঠিক। তাঁদের দ্বারা আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

আপনি দেখেছেন, দুর্গাপূজার সময় তাঁরা কীভাবে বক্তব্য রেখেছেন। তাঁরা কি এখন মুসলমান, না হিন্দু ধর্মে রূপান্তরিত হয়েছেন, আমি জানি না। এটা আপনাকে বুঝতে হবে। আপনি অবুঝ নন, আপনি প্রধানমন্ত্রী। আপনার দায়িত্ব সব আপনার কাঁধে।

১০০ টাকা দিয়ে খেলেন, না ৩০০ টাকা দিয়ে খেলেন—এতে জাতির কিছু আসে যায় না। মানুষের পেটে ভাত নেই, মানুষের চোখে ঘুম নেই। এই বিষয়টা আপনাকে দেখতে হবে।

আপনি চারদিকে যুদ্ধ করে জয়লাভ করতে পারবেন না। বিরোধী দলের দাবি কী? বিরোধী দলের দাবি হলো, জুলাই সংস্কার বাস্তবায়ন করা।

আমি মনে করি, আপনার স্বার্থে, আমাদের স্বার্থে নয়—জনগণের স্বার্থে—অনতিবিলম্বে এটা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেন এবং ঘোষণা দিয়ে দেন। তাহলে আর লং মার্চও থাকবে না, রোড মার্চও থাকবে না, কিছুই থাকবে না। সবাই মিলে একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

জাতীয় ঐক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা আপনার মাথায় রাখতে হবে।

কিন্তু আপনার মন্ত্রিসভার একজন সদস্য আছেন। তিনি মিরপুরে গিয়েছিলেন। মিরপুরের মসজিদে গিয়ে বললেন, ‘আমরা তারেক রহমান সাহেবের উম্মত।’

আপনি যে মন্ত্রী, তিনি বলছেন তারেক রহমানের উম্মত। তিনি তো এখন মুসলমানই নন—\[বক্তব্যের এই অংশটি মূল অডিওর সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন\]। আমরা তো রাসুলের উম্মত। আর তিনি হয়ে গেছেন আপনার উম্মত।

এ ধরনের লোক আপনার মন্ত্রিসভায় আছেন—অজ্ঞ, অশিক্ষিত, মূর্খ। এদের বাদ দিয়ে এগিয়ে যান।

আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

আসসালামু আলাইকুম।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url