শফিকুর রহমান এর ফেসবুক পোস্টে আন্দোলনরত শ্রমিকদের যা বললেন

শফিকুর রহমান এর ফেসবুক পোস্টে আন্দোলনরত শ্রমিকদের যা বললেন

গার্মেন্টস শ্রমিক নিম্ন তম বেতন ৩০ হাজার করতে হবে জানিয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিকরা। তাঁরা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে আন্দোলন শুরু করেছে এবং ঢাকার বিভিন্ন স্থানে হামলা ভাংচুর চালাচ্ছে। 

এমন পরিস্থিতিতে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান মালিক-শ্রমিকসহ সকল কে শান্ত হওয়ার আহ্বান করেছেন। এছাড়াও, সরকার কে কি করতে হবে তা জানান তার পোস্টে 

তিনি মূলত তাঁর এই সর্তক মূলক বার্তা তার নিজস্ব ভেরিফাইড ফেসবুক একাউন্ট থেকে দেওয়া হয়েছে।‌ যেখানে দুটি পোস্ট করেছেন জামায়াত আমির। 

প্রথম পোস্ট করেছেন দুপুরে এবং দ্বিতীয় পোস্ট করেছেন ১ নভেম্বর। 

আমিরে জামাত কি বললেন পড়ুন তার নিজ পোস্ট থেকে। নিচে দুটি পোস্ট উল্লেখ করা হল।‌

গার্মেন্টস শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন নিয়ে ফেসবুক পোস্টে কী বলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান? জানুন তাঁর বক্তব্যের বিস্তারিত।

আজকে শফিকুর রহমান এর ফেসবুক পোস্টে যা বলা হয়েছে 

পোশাকশিল্পে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের মতো উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে। কোনো মালিক কিংবা শ্রমিকই শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। আমরা বিশ্বাস করি, কোনো শ্রমিকই এ ধরনের কাজে জড়িত হবেন না।

ষড়যন্ত্রকারী ও ধান্দাবাজরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে পোশাকশিল্পকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে বলে মনে হয়। এ ব্যাপারে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।

ইতিমধ্যে প্রায় ৬০০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শীত মৌসুমকে সামনে রেখে পোশাকশিল্পে যে সম্ভাবনা তৈরি হয়, তা ধ্বংস করার জন্য গভীর কোনো ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে মালিক-শ্রমিকসহ সব পক্ষকে আন্তরিক ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

গতকাল শফিকুর রহমান এর ফেসবুক পোস্টে যা বলা হয়েছে 

গার্মেন্টস শিল্পে চলমান অস্থিরতা খুবই উদ্বেগজনক। দেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টস শিল্প কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সরকারের ব্যর্থতা, জ্বালানির উচ্চমূল্য, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বিশ্ববাজারে এ খাতের অনিশ্চয়তা এবং ক্রয়াদেশ বাতিল, প্রত্যাহার কিংবা আগের মতো না পাওয়া জনিত কারণে তৈরি পোশাক খাত সত্যিই এক কঠিন সময় পার করছে। অন্যদিকে ঘরভাড়া, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, যাতায়াত খরচ, চিকিৎসা খরচসহ এ শিল্পে কর্মরত জনশক্তির জীবনও কঠিন সংকটের মুখোমুখি।

প্রধান এই রপ্তানি খাতকে টিকিয়ে রাখতে হলে খাতটি যে সমস্ত সমস্যায় জর্জরিত হয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, তা দূর করার জন্য সরকারকে দ্রুতই টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত ও উৎপাদনের গতি বাড়ানো যায়, তখন এই সমস্ত সমস্যাগুলো যৌক্তিকভাবে বিবেচনায় নিয়ে সমাধান করা সম্ভব।

শিল্প বাঁচলে শুধু মালিক বাঁচবে না, দেশও বাঁচবে না। সুতরাং শিল্প উদ্যোক্তা ও শিল্পে নিয়োজিত জনশক্তি – দুটোকেই বাঁচানোর দায়িত্বশীল ভূমিকা সরকারকে পালন করতে হবে। 

আমরা সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শন ও নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ববোধের পরিচয় দেওয়ার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি। 

এক্ষেত্রে যেকোনো ব্যর্থতা দেশের সমুদয় ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ধ্বংসের শেষপ্রান্তে নিয়ে যাবে। এখানে কালক্ষেপণের কোনোই সুযোগ নেই।

আরো খবর,



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url